গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে - চাঞ্চল্যকর তথ্য জানুন


গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে আপনার হয়তো অজানা। তরমুজ হলো একটি বাংলাদেশের পরিচিত ফল এবং এর পুষ্টিগুণ অনেক। তরমুজের উপকারিতা সম্পর্কে না জানার কারণে আমাদের খাদ্য তালিকায় আমরা তরমুজ রাখিনা।

গর্ভাবস্থায়-তরমুজ-খাওয়ার-উপকারিতা

তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

পেজ সূচিপত্র:গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কিত

গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে না জানার কারণে আমরা আমাদের খাদ্য তালিকায় তরমুজ রাখি না। তরমুজ আমাদের বাংলাদেশসহ অন্যান্য সফল রাষ্ট্রের একটি পরিচিত ফল এবং এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ যা আমাদের অনেকের বা আপনার অজানা। তরমুজ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ।
আমরা আমাদের খাদ্য তালিকায় যদি তরমুজ রাখতে পারি তাহলে আমাদের যেসব উপকার হবে সেগুলো হলো হাইড্রেশন বজায় রাখবে কেননা তরমুজ রয়েছে ৯২% পানি। আমরা যদি নিয়মিত তরমুজ খাই তাহলে আমাদের হজমের ঘাটতি দূর হবে কেননা তরমুজে রয়েছে ফাইবার যা হয় যেমন সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। আপনি যদি নিয়মিত তরমুজ খান তাহলে মর্নিং সিগনেস কমাবে কেননা তরমুজ রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা বমি বমি ভাব দূর করতে সাহায্য করে এবং এসিডিটির সমস্যা থেকে সমাধান দেয়।

আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় তরমুজ রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে কেননা তরমুজে রয়েছে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ তার সাথে রয়েছে অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থায় অনেক মহিলাদের হাত পা ফুলে যায় এই হাত পা ফোলা কমাতে তরমুজ অত্যন্ত কার্যকরী কেননা তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি। পেশির ব্যথা কমাতে তরমুজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কেননা তরমুজে রয়েছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম এটি বেশি সংকোচন কমাতে সাহায্য করে।

ভ্রুনের বিকাশে সহায়তা করে কেননা এতে রয়েছে ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি তার সাথে রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স। ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখতে তরমুজ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কেননা তরমুজে রয়েছে উচ্চমাত্রায় পানি এবং এনটিঅক্সিডেন্ট যা ত্বক উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে।

তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে না জানার কারণে আমরা অনেকেই এর উপকার থেকে বঞ্চিত হই। আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় নিয়মিত তরমুজ রাখলে আপনার শরীরের অনেক উপকার হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। নিয়মিত তরমুজ খেলে হাইড্রেশন বজায় রাখবে কেননা এতে রয়েছে ৯২% পানি। আপনি আপনার খাদ্য তালিকায় তরমুজ রাখলে আরো যেসব উপকার হবে সেগুলো নিচে দেওয়া হল।

আপনি যদি নিয়মিত তরমুজ খান এবং নিয়ম মেনে খান তাহলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে কেননা তরমুজে রয়েছে ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ তার সাথে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। গর্ভাবস্থায় মহিলাদের শারীরিক ফোলা কমাতে তরমুজ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে কেননা তরমুজের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি। আপনার যদি হজমে সমস্যা হয় তাহলে আপনি নিয়ম মেনে নিয়মত তরমুজ খেতে পারেন কেননা তরমুজে থাকা ফাইবার আপনার হজমে সহায়তা করবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করবে।

আপনি নিয়মিত তরমুজ খেলে আপনার শরীরের পেশির ব্যথা দূর করতে সহায়তা করবে কেননা তরমুজের রয়েছে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম যা আপনার শরীরের যে কোন কোষের সংকোচন রোধে সহায়তা করবে। ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখতে তরমুজ অত্যন্ত কার্যকরী কেননা তরমুজে রয়েছে উচ্চ পানি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করবে।

তরমুজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানুন

তরমুজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে না জানার কারণে আমরা আমাদের খাদ্য তালিকায় তরমুজ রাখতে চাই না অথবা রাখি না। তরমুজের অনেক উপকারিতা রয়েছে তবে নিয়ম না জেনে তরমুজ খেলে ক্ষতির সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আজকে আমরা জানবো তরমুজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে। তরমুজ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ।

তরমুজের সম্পূর্ণ উপকারিতা পেতে হলে তরমুজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নেওয়া খুবই জরুরী। তাহলে চলুন জেনে নেই তরমুজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে। খালি পেটে তরমুজ ফেলে এবং দুপুরের দিকে খেলে হজমে অনেক উপকার হয় এবং শরীরে দ্রুত পুষ্টি শোষণ করতে সহায়তা করে। খাওয়ার পরপরই তরমুজ খাওয়া মোটেও উচিত নয় কেননা তরমুজে রয়েছে ফাইবার। যা হজমে সহায়তা করে কিন্তু খাওয়ার পরপরই খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে।
তরমুজ-খাওয়ার-নিয়ম-সম্পর্কে-জানুন
তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জল এবং প্রাকৃতিক চিনি যা দিনের বেলা খেলে এবং দুপুরে খেলে শরীরে শক্তি যোগাতে সহায়তা করে। রাতে তরমুজ বেশি খাওয়া উচিত নয়। রাতে তরমুজ বেশি পরিমাণে খেলে ঘন ঘন প্রসাবের সমস্যা হতে পারে এবং হজমে সমস্যা হতে পারে তাই আমাদের উচিত নিয়ম মেনে তরমুজ খাওয়া। তরমুজ সম্পর্কিত আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে থাকুন।

তরমুজ খাওয়ার নিয়ম হলো প্রতিদিন এক থেকে দুই কাপের বেশি খাওয়া যাবেনা, খাবারের পরপরই খাওয়া যাবেনা, রাতে বেশি খাওয়া যাবেনা , অর্গানিক বা নিরাপদ উৎস থেকে কিনতে হবে। নিয়ম মেনে তরমুজ খেলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়।

তরমুজ খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে জানুন

তরমুজ খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে না জানার কারণে আমরা তরমুজ খাওয়ার পর বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে তাই আমাদের উচিত নিয়ম মেনে তরমুজ খাওয়া। তরমুজ হলো একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল তবে নিয়ম না জেনে খাওয়ার কারণে আপনি বিভিন্ন সমস্যায় পড়েন। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ।

তরমুজ অতিরিক্ত মাত্রায় এবং ভুলভাল ভাবে খেলে আপনার শরীরে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে এবং স্বাস্থ্যকর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন। তাই আমাদের উচিত তরমুজের অপকারিতা সম্পর্কে ধারণা রাখা। চলুন আজকে আমরা জেনে নেই তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা গুলো কি কি ? অতিরিক্ত মাত্রায় তরমুজ খেলে সরকারের মাত্রা বৃদ্ধি পায় কেননা তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি এবং রয়েছে গ্লাইসেমিক  ইনডেক্স (GI) ৭২ যা উত্তম উচ্চমাত্রার।

হজমে সমস্যা হতে পারে কেননা তরমুজের রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও পানি যা অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে হজমে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে । যেমন ডায়রিয়া ,পেট ফাঁপা ,গ্যাসিডিটি ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। অতিরিক্ত মাথায় তরমুজ খেলে ঘন ঘন প্রসাব ও পানি শূন্যতার ঝুঁকি হতে পারে কেননা তরমুজে রয়েছে প্রাকৃতিক ডিউটেরিক যা ঘন ঘন প্রসবের কারণ। অতিরিক্ত তরমুজ খাওয়া কিডনি রোগীদের জন্য বিপদজনক হতে পারে কেননা তরমুজে রয়েছে পটাশিয়াম।

এছাড়াও যেসব অপকারিতা রয়েছে সেগুলো হলো তোকে অ্যালার্জি বা সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে এবং বিষাক্ত রাসায়নিকের ঝুমকি হতে পারে, অতিরিক্ত মাত্রায় তরমুজ খেলে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে কেননা তরমুজে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি আপনি অন্য খাবারের সাথে ভুল নিয়মে তরমুজ খাবেন না এতে আপনার বিভিন্ন স্বার্থকর ঝুঁকি হতে পারে।

তরমুজের বীজের উপকারিতা

তরমুজের বীজের উপকারিতা সম্পর্কে না জানার কারণে আমরা সকলে তরমুজের বীজ ফেলে দেয়। কি তাই না? কিন্তু আপনি কি জানেন তরমুজের বীজে রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তরমুজের বীজে রয়েছে প্রোটিন ,স্বাস্থ্যকর চর্বি ,খনিজ পদার্থ যেমন ম্যাগনেসিয়াম জিংক, আয়রন ,আন্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার। তাই আজকে আমরা জানবো তরমুজের বিজের উপকারিতা কি কি।
তরমুজের বীজে অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে যেমন প্রোটিন রয়েছে ২৮-৩০ গ্রাম এবং রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যার পরিমাণ ১৪০-১৫০ গ্রাম তার সাথে রয়েছে আয়রন যার পরিমাণ ৭-১০ মিলিগ্রাম জিংক রয়েছে ১০ গ্রাম এবং ফাইবার রয়েছে। এ সকল উপাদান আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী যেমন স্নাকস হিসাবে দারুন এবং পেশি গঠনে অনেক উপকারী, রক্তশূন্যতা কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ও হজমে ভালো উপকার দেয়।

ডায়াবেটিসে তরমুজ খাওয়া যাবে কি 

ডায়াবেটিসের তরমুজ খাওয়া যাবে কি এ বিষয়ে আমরা অনেকেই প্রশ্ন করে থাকি। কি তাই না? এ বিষয়ে যদি আপনি না জেনে থাকেন তাহলে আজকে আপনি সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য পাবেন। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ। এ  সকল উপাদানগুলো আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।

আপনি যদি ডায়াবেটিসের সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে তরমুজ খেতে পারবেন সমস্যা নাই। তবে পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। তরমুজে রয়েছে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স এর পরিমাণ বেশি কিন্তু গ্লাইসেমিক লোড এর পরিমাণ কম। তাই পরিমিত পরিমাণে তরমুজ খেলে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য কোন সমস্যা হবে না। তবে নিয়মের বাইরে অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কেননা তরমুজে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি যার ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

তরমুজের বীজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানুন

তরমুজের বীজ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে না জানার কারণে আপনি হয়তো তরমুজের বীজ ফেলে দেন। কি তাই না? কিন্তু আপনি কি জানেন তরমুজের বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও অন্যান্য পদার্থ যেমন প্রোটিন রয়েছে ২৮-৩০ গ্রাম এবং রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যার পরিমাণ ১৪০-১৫০ গ্রাম তার সাথে রয়েছে আয়রন যার পরিমাণ ৭-১০ মিলিগ্রাম জিংক রয়েছে ১০ গ্রাম এবং ফাইবার রয়েছে। এ সকল উপাদান গুলো আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

আপনি তরমুজের বীজ কাঁচা অবস্থা খেতে পারেন তবে সরাসরি গেলা যাবে না চিবিয়ে খেতে হবে। সরাসরি গিলে ফেললে হজমে সমস্যা হতে পারে। তরমুজের বীজ ভেজে খেতে পারেন অথবা রোস্ট করে এতে হজম ভালো হয়। তরমুজের বীজ আপনি গুড়া করেও খেতে পারেন। তরমুজের বীজ গুড়া করে দই অথবা ওটমিলের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। তরমুজের বীজ আপনি পানিতে ভিজিয়েও খেতে পারেন। এভাবে খাওয়ার জন্য ৬-৭ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে খেতে পারেন। এর ফলে তরমুজের বীজে থাকা ফাইটিক এসিড কমে যায়।

তরমুজ খেলে কি ওজন বাড়ে এ বিষয়ে জেনে নিন

তরমুজ খেয়ে কি ওজন বাড়ে এ বিষয়ে আমরা বা আপনি হয়তো জানেন না। কি তাইনা? তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং এতে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। যেমন তরমুজ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ। এ সকল উপাদান গুলো আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তরমুজ-খেলে-কি-ওজন-বাড়ে
তরমুজ খেলে সরাসরি ওজন বাড়ে না তবে কিছু শর্তে ওজন বাড়তে পারে যেমন তরমুজ হলো একটি লো ক্যালোরি ও হাইড্রেটিং ফল যা স্বাভাবিকভাবে ওজন বাড়েনা। এটি ওজন কমানোর জন্য ভালো হতে পারে তবে অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমাদের উচিত নিয়ম মেনে তরমুজ খাওয়া যেমন প্রতিদিন ২-৩ কাপের বেশি তরমুজ খাওয়া যাবে না। তরমুজের সাথে অন্য ভুল ভাবে খাবার খাওয়া যাবেনা। রাতে ঘুমানোর পূর্বে তরমুজ বেশি খেলে আপনার স্বাস্থ্যকর ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে।
তরমুজে রয়েছে ৯২% পানি তাই অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে আপনার পেটেপানির পরিমাণ বেশি হতে পারে তাই ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আপনি যদি নিয়ম মেনে তরমুজ খান তাহলে আপনার শরীর ঠিক থাকবে এবং বিভিন্ন উপকার হবে। তরমুজে রয়েছে লো ক্যালোরি তাই পরিমতে পরিমাণে খেলে আপনার শরীর সতেজ থাকবে এবং বিভিন্ন উপকার হবে।

তরমুজ খেলে কি ক্ষতি হয়

তরমুজ খেলে কি ক্ষতি হয় এ বিষয়ে আমাদের মনে প্রতিনিয়ত প্রশ্ন আসে। কি তাই না? আপনি যদি না জেনে থাকেন তরমুজ খেলে ক্ষতি হয় না উপকার হয় তাহলে আজকের এই কনটেন্টি আপনার জন্যই। তরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ। এ সকল উপাদান গুলো আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

তরমুজ অতিরিক্ত মাত্রায় অথবা ভুলভাল ভাবে খেলে তরমুজের উপকারিতা থেকে আমরা বঞ্চিত হব। তাই আমাদের উচিত হবে নিয়ম মেনে তরমুজ খাওয়া। নিয়ম মেনে তরমুজ খেলে হাইড্রেশন বজায় রাখা যায়, মর্নিং সিকনেস কমায়, হজমে সহায়তা করে, শারীরিক ফোলা কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, পেশির ব্যথা কমায়, ভ্রূণের বিকাশে সহায়তা করে এবং ত্বকে সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী।

লেখকের শেষ কথাঃ গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা

গর্ভাবস্থায় তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আমরা উপরে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। আপনি এই কনটেন্টটি মন দিয়ে পড়ে থাকলে তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক ধারণা পাবেন এবং তরমুজ খাওয়ার সঠিক নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন তার সাথে তরমুজের উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

তরমুজ রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি অর্থাৎ ৯২% এবং রয়েছে ফাইবার , ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ইত্যাদি উপকারী পদার্থ। এ সকল উপাদান গুলো আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই আপনি নিয়ম মেনে তরমুজ খেলে আপনার শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর হবে এবং অনেক উপকার পাবেন।

আপনি যদি কোন বিষয় না জেনে থাকেন তাহলে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন এবং আপনার সকল অজানা প্রশ্নের উত্তর জেনে নিন। এতক্ষন ফ্রিলার্নিং আইটির সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ফ্রিলার্নিং আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url